পিবিএ ডেস্ক: কুসংস্কার বা অন্ধবিশ্বাসের ব্যাখ্যা এক একজনের কাছে এক এক রকমের। সাধারণত অপবিজ্ঞানের আর এক নামই কুসংস্কার। বিজ্ঞান হল সত্য আর কুসংস্কার হল অসত্যের উপর ভিত্তি করে গড়া ভাবনা। এর দ্বারা মানুষকে খুব সহজেই বিভ্রান্ত করা যায়।
নানা জাতি-ধর্ম-প্রদেশ নির্বিশেষে হাজারো কুসংস্কার রয়েছে আমাদের। তবে শুধু আমাদের দেশই নয়, বিদেশেও অনেক ধরনের কুসংস্কার রয়েছে।
সমাজের নানা স্তরের মানুষের মধ্যে নানা ধরনের সংস্কার রয়েছে। এর কোনটি ভালো বা কোনটি মন্দ তা একধরনের আপেক্ষিক বিষয়। কোনও ধারণা একজনের কাছে ভালো হলেও অপরজনের কাছে মন্দ হতে পারে। আবার উল্টোটাও হতে পারে।
চলুন দেখে নেওয়া যাক, সেসব কুসংস্কার বা অন্ধবিশ্বাসের তালিকা-
১। রাতের বেলা যদি বজ্রপাত ঘটে
জাপানে যদি রাতের বেলা বজ্রপাত ঘটে, তাহলে শিশুদের বলা হয় সাথে সাথে তারা যেন তাদের পেট ঢেকে রাখে। তা না হলে ‘রাইজিন’ (বজ্রপাতের দেবতা) তাদের পেট ভক্ষণ করবে।
২। কুকুরের বিষ্ঠা চাপা
ফ্রান্সের অধিবাসীরা মনে করেন, রাস্তায় হাঁটার সময় যদি বাঁ পায়ের নিচে কুকুরের বিষ্ঠা চাপা পড়ে, তাহলে তা সৌভাগ্য বয়ে নিয়ে আসবে। কিন্তু যদি ডান পায়ের নিচে হয়, তাহলে তা দূর্ভাগ্য বয়ে নিয়ে আসবে।
৩। বিয়ের সময় মুখ ঢাকা
রোমান ইতিহাস অনুযায়ী বিয়ের সময় কনের মুখ ঢাকা থাকা আবশ্যক। এর ফলে সমস্ত অপশক্তির হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। কারণ মুখ ডাকা থাকায় কনেকে চেনা যাবে না।
৪। পাখির মল গায়ে পড়লে ভালো
রাশিয়াতে উড়তে থাকা পাখির মল যদি গায়ে অথবা মাথায় এসে পড়ে তাহলে তাকে শুভ বলে ধরা হয়। এতে নাকি ধনসম্পত্তি বৃদ্ধি পায়।
৫। লেটুস পাতা খাওয়া
লেটুস পাতা খাওয়া অত্যন্ত উপকারী। তবে ১৯ শতকে ইংরেজ পুরুষেরা সন্তানের জন্ম দিতে ইচ্ছুক থাকলে লেটুস পাতা খাওয়া এড়িয়ে চলতেন। এতে নাকি সন্তান ধারণে অসুবিধা হতো।
৬। মধ্যরাতে আঙুর খাওয়া
স্পেনে নববর্ষের সময়ে পরিচিতরা একে অপরকে শুভেচ্ছা জানান না। তার বদলে ১২টি করে আঙুর খান স্পেনীয়রা। মনে করা হয়, এতে নাকি ১২ মাসই ভালো কাটবে।
৭। রাতে চুয়িংগাম চিবানো
রাতে চুয়িংগাম চেবানো মানে নাকি মরা মানুষের মাংস চেবানো। দীর্ঘদিন ধরে এমনই কুসংস্কার চলে আসছে তুরস্কে।
পিবিএ/ইকে